অক্টোবর ২৯, ২০২০

সত্যের সন্ধানে সবসময়

ভালুকা পৌরবাসী মশার উপদ্রবে অতিষ্ঠ

ভালুকা পৌরবাসী মশার উপদ্রবে অতিষ্ঠ

ভালুকা প্রতিনিধিঃ কার্যকরী পদক্ষেপের অভাবে মশার উপদ্রবে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে ভালুকা উপজেলার পৌরসভার বাসিন্দারা। কয়েল বা স্প্রে ব্যবহার করেও কোনো সুরাহা পাচ্ছেন না সাধারণ মানুষ। রাত বা সন্ধ্যায়ই নয় দিনের বেলায়ও এ অবস্থা থেকে তারা পরিত্রাণ পাচ্ছেন না। তবে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে শিশু ও শিক্ষার্থীরা।

পৌর ৪নং ওয়ার্ডের তোতা খার ভিটার বাসিন্দা মোঃলুৎফর জানান, মশার উপদ্রব অনেক বেড়েছে। মশার অত্যাচারে কোনো কাজ স্বাভাবিক ভাবে করা যাচ্ছে না। বিশেষ করে রাতে বেশি অশান্তি সৃষ্টি করছে।

দীর্ঘদিন ধরে মশা নিধনে ভালুকা পৌরসভার তেমন কোনো পদক্ষেপ চোখে পড়ছে না। ২নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা বয়েজ ক্লাবের সভাপতি এস এম গোলাপ জানান, ঘরে-বাইরে সর্বত্র মশা। দিন নেই, রাত নেই সব সময় মশার উৎপাত। ছেলে-মেয়েরা মশার কারনে সঠিকভাবে লেখাপড়া করতে পারছে না।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃমাহমুদুল বাশার জানান মশা একটি ভয়ংকর প্রানী, মশার কামড়ে ম্যালেরিয়াই বিশ্বে প্রতি বছর ১০ লাখ মানুষ মারা যায়। মশার কামড়ে ম্যালেরিয়া, চিকুন গুনিয়া ও ডেঙ্গু জ্বরসহ, বিভিন্ন রোগ হতে পারে। এজন্য সকলকে সচেতন হতে হবে। মশক নিধনে ভালুকা পৌরসভার মুখ্য ভূমিকা রাখতে হবে। সর্বত্র স্প্রের’র ব্যবস্থা করতে হবে।

পৌর মেয়র ডাঃএ কে এম মেজবাহ উদ্দিন কাইয়ৃম বলছে, ঋতু পরিবর্তন ও পৌরবাসীর অসচেতনতার কারণে এ অবস্থার সৃষ্টি হচ্ছে। কিছু কিছু স্হানে মশক নিধনের কাজ চলছে খুব শিগগিরই পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ডে মশা নিধনের কাজ শুরু হবে।খুব শিগরই মশা কমে যাবে।

তিনি আরও বলেন ঝোপঝাড় বা ফুলের বাগান পরিষ্কার না করার কারণে মশার উপদ্রব বেড়েছে। এছাড়া আশপাশ থেকেও মশা আসছে। তবে মশা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সকলকে সচেতন হতে হবে। ড্রেনে বর্জ্য ফেলা যাবে না, ঝোপঝাড়, ফুলের বাগান ও খাল বা পুকুরে কচুরিপানা পরিষ্কার রাখতে হবে।

error: Content is protected !!